পুলিশ আক্রান্ত হলে এনকাউন্টারে যেতে বাধ্য হয়: ডিএমপি কমিশনার
স্টাফ রিপোর্টার
নিউজওয়ান২৪.কম
প্রকাশিত : ০৪:৫৭ পিএম, ২৩ জুন ২০১৬ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৫:০০ পিএম, ২৩ জুন ২০১৬ বৃহস্পতিবার
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া -ফাইল ফটো
ঢাকা: রাজধানীবাসীর ঈদ কেনাকাটাকে নির্বিঘ্ন করতে ছিনতাই কিংবা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঢাকা মেট্রাপলিটান পুলিশ। দুর্বৃত্তদের দমনে ‘প্রয়োজনে’ গুলিও চালাবে পুলিশ। এই হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি আরও জানিয়েছেন, পুলিশ আক্রান্ত হলে এনকাউন্টারে (বন্দুকযুদ্ধ) যেতে বাধ্য হয়।
ডিএমপি কমিশনার তার ভাষায় ‘এই প্রিয় মহানগর’ ঢাকাকে নিরাপদ রাখতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতকারীদের ছাড় দিবেন না বলে জানিয়েছেন। ঈদকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি বলেন, চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এমনকি রাহাজানি প্রতিরোধে প্রয়োজনে পুলিশকে গুলি করতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক তালুকদার সোহেলের সভাপাতিত্বে আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
গুলির নির্দেশের বিষয়ে সভার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও ব্যাংকের সামনে পাহারা দিতে হত, টাকা ছিনতাই হত। আমাদের গোয়েন্দারা সতর্ক রয়েছে। যদি এ ধরনের টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে তবে আমরা প্রয়োজনে গুলি চালাব। কারণ এটিও আইনে বলা রয়েছে- কোন মুহূর্তে জান-মাল রক্ষার্থে পুলিশ গুলি ছুড়তে পারবে।
তবে গুলি ছোড়ার মতো পরিস্থিতির ক্ষেত্রে আইন মেনেই পুলিশ পদক্ষেপ নেবে বলে নগরবাসীকে আশ্বস্ত করেন ডিএমপি কমিশনার।
সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিতর্কিত ‘বন্দুকযুদ্ধ’ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে আছাদুজ্জামান বলেন, “পুলিশ কখনও ক্রসফায়ার করে না। তাদের কাজ হচ্ছে, আসামিদের ধরে আইনে সোপর্দ করা। তবে অপরাধী ধরতে গিয়ে পুলিশ আক্রান্ত হলে এনকাউন্টারে যেতে বাধ্য হয়। তখন দুই একজন অপরাধীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, অনেক সময় পুলিশ সদস্যরাও আহত হন।”
ইতোমধ্যে অজ্ঞান পার্টির দুই শতাধিক সদস্যকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে- জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আসন্ন ঈদ-উল ফিতরে ছিনতাইকারী, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টির কোনো দৌরাত্ম্য থাকবে না।
নিউজওয়ান২৪.কম/আরকে
