NewsOne24

সব ব্যাংকই বাংলাদেশ ব্যাংককে মিথ্যে তথ্য দেয়: বিআইবিএম

নিউজ ডেস্ক

নিউজ ওয়ান২ ৪

প্রকাশিত : ১২:৩৫ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০১৮ শনিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে বছরে ২৬৩টি রিপোর্ট দিতে হয়। কিন্তু এসব ব্যাংক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পাঠানো রিপোর্টের সঙ্গে বাস্তবতার কোনও মিল নেই। ব্যাংকগুলো নিজেদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অসত্য তথ্য দেয়।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম)-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৪ অক্টোবর) রাজধানীর বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘কস্টস ফর কমপ্ল্যায়েন্স উইথ রেগুলেশনস ইন ব্যাংকস’ শীর্ষক  গোলটেবিল বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

গোলটেবিল বৈঠকে গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এই গবেষণা সম্পন্ন করেন। গবেষণা দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ও বিআইবিএমের অনুষদ সদস্য মো. আব্দুল কাইউম; বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক অতুল চন্দ্র পণ্ডিত ও বাংলাদেশ ব্যাংকের  ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্টের উপ-মহাব্যবস্থাপক রূপরতন পাইন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  ৯১ শতাংশ ব্যাংকারের ধারণা কমপ্ল্যায়েন্স পরিপালন করলে ব্যাংকের ঝুঁকি কমে আসে। ব্যাংক খাতকে রক্ষা করতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অসত্য তথ্য দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। একইসঙ্গে রিপোর্টের সংখ্যা কমিয়ে সমন্বয় সাধন করতে হবে।

ব্যাংকের কমপ্ল্যায়েন্স পরিপালনের চাপ ও ব্যয় বাড়ছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের কমপ্ল্যায়েন্স পরিপালনে বর্তমানে ১৫টি আইন বা অধ্যাদেশ, ৪৬টি গাইডলাইন, ১০টি রেগুলেশন, ৪৭৮টি প্রজ্ঞাপন আছে। সরকারি-বেসরকারি খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশনা পরিপালনে বছরে গড়ে ২৬৩টি রিপোর্ট দিতে হচ্ছে ব্যাংকগুলোকে। একইসঙ্গে এ খাতে খরচও বাড়াতে হচ্ছে ব্যাংকগুলোকে।

গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী। তিনি অধিকতর দক্ষতার সঙ্গে ব্যাংকগুলোকে কমপ্ল্যায়েন্স পরিপালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইবিএমের অধ্যাপক ও পরিচালক (গবেষণা, উন্নয়ন এবং পরামর্শ) ড. প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জী। তিনি গোলটেবিল বৈঠকের বিষয়টির ওপর সূচনা বক্তব্য দেন।

নিউজওয়ান২৪/জেডএস