NewsOne24

কোরবানির জন্য ভারতীয় গরু আসতে পারবে: বিজিবি

তাজা খবর ডেস্ক

নিউজওয়ান২৪.কম

প্রকাশিত : ০৮:৪৪ পিএম, ২ আগস্ট ২০১৭ বুধবার | আপডেট: ০৩:৫১ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০১৭ রোববার

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আবুল হোসেন।

বুধবার (০২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

সীমান্ত এলাকায় যেসব ঘাটাল রয়েছে সেই ঘাটালের মাধ্যমে বৈধভাবে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে বলেও জানান বিজিবি মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, বৈধভাবে গরু ব্যবসা করলে ব্যবসায়ীদের বাধা দেওয়া হবে না। ভারতীয় গরু আনার জন্য বাংলাদেশি রাখাল ও ব্যবসায়ীরা কোনোভাবেই সীমান্তের জিরো লাইন অতিক্রম করতে পারবে না। ভারতের বেপারীরা জিরো লাইনে গরু নিয়ে আসলে নিয়ম অনুযায়ী দেশের ব্যবসায়ীরা তা নিয়ে আসতে পারবেন।

তিনি বলেন, যেহেতু ভারতে অধিক পরিমাণে গরু উৎপাদন হয় এবং তারা জবাই করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে আমাদের দেশে গরু আসবে, এতে কোনো সমস্যা নেই। ঘাটালের নিয়ম মেনে সবাই যাতে ব্যবসা করতে পারেন সেজন্য গরুর বেপারী, রাখাল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিথিদেরও সম্পৃক্ত কর‍া হয়েছে।

সীমান্তের জিরো লাইন পার না হওয়ার জন্য বেপারী ও রাখালদের সতর্ক করা হয়েছে জানিয়ে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, এতে সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এমতাবস্থায় বিজিবি সদস্যরা বাধ্য হবে সব ঘাটাল বন্ধ করে দিতে।

সীমান্ত হত্যা সম্পর্কে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে সব সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিএসএফ) জোরালো প্রতিবাদ জানানোসহ সীমান্ত হত্যা শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তারাও সীমান্ত হত্যা শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় বিগত বছরগুলোতে সীমান্ত হত্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। সীমান্ত হত্যা সম্পূর্ণ বন্ধের লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। যেমন, নির্দিষ্ট এলাকায় ক্যাটেল করিডোর খোলা, ক্যাটেল করিডোরে রাখালদের রেজিস্ট্রেশন করা, সীমান্তের শূন্য রেখায় গরু আদান প্রদান, সব রাখালদের কর্মের সংস্থান, সীমান্তে বিভিন্ন ছোট প্রকল্প, সীমান্ত রাস্তা নির্মাণ, বিদ্যুতায়ন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প ইত্যাদি কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রতিবেশি দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সহিত সুসম্পর্ক রেখে সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল করা।

বিজিবি মহাপরিচালক আবুল হোসেন বলেন, সীমান্তে হত্যার বিষয়টি শূণ্যের কোঠায় আনতে আমরা সক্ষম হবো, তবে এর জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

আইনও সালিশ কেন্দ্রর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সারা দেশের সীমান্তে ১১জন বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে। বিএসএফ’র গুলিতে ৭ জন এবং শারীরিক নির্যাতনে ৪ জন্য মারা গেছেন।

নিউজওয়ান২৪.কম