News One24 logo
Sena Kalyan Sangstha
bangla fonts
৭ মাঘ ১৪২৪, শনিবার ২০ জানুয়ারি ২০১৮, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
facebook twitter google plus rss
সর্বশেষ খবর
‘আনসাররা অস্ত্র ঠেকিয়ে আমাদের ভিটেমাটি দখল করেছে’ আসামে এনআরসি’র তালিকায় নেই ৭০ শতাংশ বাঙালি! শেখ হা‌সিনার অধীনে নির্বাচ‌নে বিএন‌পি যাবে না: খালেদা জিয়া শাসক নয়, সেবক হয়ে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য: শেখ হাসিনা সাব্বিরের মতো আর কারো যেন এমন না হয় : মাশরাফি

মারা গেলেন জেমস মরিস


০৩ মে ২০১৭ বুধবার, ১২:৫৬  পিএম

পরশপাথর ডেস্ক


মারা গেলেন জেমস মরিস

একই হাসপাতালে টানা ৫৪ বছর ভর্তি থাকার পর মারা গেছেন জেমস মরিস। ফলে তিনিই হাসপাতালে সব থেকে বেশি সময় অবস্থান করা একজন রোগি ছিলেন এমনটাই ভাবা হচ্ছে। বৃটেনের নাগরিক ও সাবেক সেনা সদস্য জেমস মরিস। ১৯৬২ সালে তার একটি পা ভেঙে যায়। তার বয়স তখন ২১ বছর। ওই সময় তাকে ভর্তি করানো হয় নর্থ ল্যাঙ্কাশায়ারের এয়ারড্রিতে অবস্থিত ওয়েস্টার মোফফাত হাসপাতালে। এখানে তার পায়ে অপারেশনের সময় অপারেশন টেবিলেই হৃদযন্ত্রের জটিলতায় (কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট) আক্রান্ত হন। তারপর থেকে তার চিকিৎসা চলতে থাকে ওই হাসপাতালেই।

অবশেষে এপ্রিলের শেষের দিকে ৭৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান। তার আগে তিনি মাত্র তিনটি শব্দ বলতে পারতেন। তার ভাই কার্ল মরিস (৬২) বলেছেন, ওয়েস্টার মোফফাত হাসপতালের একজন স্টাফ বলেছেন, জেমসের চেয়ে বেশিদিন একটানা হাসপাতালে থাকা কোনো ব্যক্তির রেকর্ড তাদের কাছে নেই। কার্ল মরিসের বাস কোটব্রিজে। তিনি বলেন, এতগুলো বছরে তার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ, ভাব বিনিময় করতে পেরেছি। তিনি মানসিক দিক থেকে সুস্থ ছিলেন। তবে সব সময় আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন না। তিনি ভালবাসতেন এমন মাত্র তিনটি শব্দ উচ্চারণ করতে পারতেন এ সময়ে। সেই শব্দ তিনটি হলো ‘হোম’, ‘পাব’ ও ‘হর্সেস’।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় আমরা তাকে ছুটির দিনে নিয়ে যেতাম বৃটেনের বিভিন্ন স্থানে। হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ জানতো যে, তিনি ‘পাব’ বা বার কতটা পছন্দ করেন। তাই তারাও মাঝে মাঝে তাকে সেখানে নিয়ে যেতো। জার্মানিতে স্কটিশ রাইফেল রেজিমেন্টে দায়িত্বরত ছিলেন জেমস মরিস। সেকানে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি আহত হন। এতে তার নাক ও উরুর হাড় ভেঙে যায়। উরুতে অপারেশনের সময় তার ব্রেনের কিছু অংশ অসাড় হয়ে পড়ে। ওদিকে ওয়েস্টার মোফফাত হাসপাতালের সিনিয়র চার্জ নার্স হেলেন রায়ান বলেছেন, এই সময়ে জেমস মরিস পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা।

হাসপাতালে ব্যতিক্রমভাবে এত দীর্ঘ সময় কাটানোর পর তিনি অনেকের জীবন ছুঁয়ে গেছেন। তার ছিল আত্মবিশ্বাস। ছিল আদর্শ। এখানে হিদার ওয়ার্ডে ছিলেন তিনি। এ ওয়ার্ডের সবাই তাকে খুব মিস করবেন। ওদিকে ন্যাশনাল হেলথ স্কিমের একজন মুখপাত্র বলেছেন, হাসপাতালে একটানা ৫৪ বছর কাটানো কোন মানুষের রেকর্ড তাদের কাছে নেই।

নিউজওয়ান২৪.কম

নিউজওয়ান২৪.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: